
নিউজ ডেস্ক ঃ বিএনপি অবৈধভাবে ক্ষমতায় গিয়ে দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম করে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম৷
রোববার (২০ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সব শহীদ স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রলীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে৷আলোচনা সভায় বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি নেতাদের কান্না হল মায়াকান্না ও অপপ্রচার। এসব করে তারা দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তারা কখনোই দেশের ভালো চায় না। তারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। তারা চায় অবৈধ পন্থায় ক্ষমতায় গিয়ে দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম করতে। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামাত সব সময় দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। তাদের নেতা তারেক রহমান মুচলেকা দিয়ে লন্ডন গিয়ে এখন হুমকি দেয় ও অপপ্রচার করে। তারা সুযোগ পেলেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর অতীতের মত আঘাত করবে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোনো ভালো উদ্যোগ নিলেও বিএনপি নেতারা এর বিরোধিতা করে। তাদের নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিন মিথ্যাচার করেন। তারা বলেন, আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে তাদের নাকি কচুকাটা করা হবে। গত ১৪ বছরেও তাদেরকে কেউই কিছু করেনি। আমরা জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক। জাতির পিতা আমাদেরকে হত্যার রাজনীতি শেখাননি। এসব কথা বলে তারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের স্বপ্নের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি। তারা কখনো চায় না বাংলাদেশ উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে উঠুক। বঙ্গবন্ধু বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিতে চেয়েছেন। তিনি তার জীবনে লড়াই সংগ্রাম করেছেন বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি তার যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময়গুলো কারাগারে কাটিয়েছেন। তিনি তার জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের মানুষের জন্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম বাবু, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম, বিশেষ অতিথি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত ও জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান।