
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশ। আগামীতে পূর্ব ও মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপ থেকে রাশিয়া পর্যন্ত যে বৈশ্বিক যোগাযোগ তৈরি হবে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বাংলাদেশ।তবে এ সম্ভাবনা মোটেও শঙ্কামুক্ত নয়। এ সম্ভাবনার বড় চ্যালেঞ্জ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী রাজনীতি। শনিবার (১৯ আগস্ট) ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রেক্ষাপট, পরিণতি ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশ। আগামীতে পূর্ব ও মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপ থেকে রাশিয়া পর্যন্ত যে বৈশ্বিক যোগাযোগ তৈরি হবে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বাংলাদেশ। তবে এ সম্ভাবনা মোটেও শঙ্কামুক্ত নয়। এ সম্ভাবনার বড় চ্যালেঞ্জ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী রাজনীতি।
শিক্ষাবিদ ও নারী নেত্রী অধ্যাপক মাহফুজা খানম বলেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নৌবহর পাঠিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে রুখতে চেয়েছিল। স্বাধীনতার পরও দেশটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করেছে। আগামী নির্বাচন কেন্দ্র করে তারা যে ভূমিকা নিচ্ছে, সেটি প্রতিরোধে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, রাজনীতি বিমুখ নতুন প্রজন্মকে প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী ভূমিকা, সারাবিশ্বে ৬৪টি দেশের সরকার পতনে তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানতে হবে। সাম্রাজ্যবাদী এ শক্তির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের কার্যনির্বাহী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দীন পাটোয়ারী, সাবেক সচিব মুক্তিযোদ্ধা আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান প্রমুখ।