
নিউজ ডেস্ক: সরকারি নীতিমালার আওতায় আসছে দেশের বেসরকারি প্রায় ৫৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেসরকারি ৯০ ভাগ প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই সরকারি একাডেমিক স্বীকৃতি ও নিবন্ধন নেই। নীতিমালা পাশ হলে সরকারের একাডেমিক স্বীকৃতি ও নিবন্ধন নিতে হবে প্রতিটি স্কুলকে। ফলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো বেতনও নিতে পারবে না স্কুল কর্তৃপক্ষ। কমবে চাপিয়ে দেয়া বইয়ের ভারও।
উল্লেখ্য সরকারি নিবন্ধন না থাকায় বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বেতন নিয়ে নানা অরাজকতার অভিযোগ রয়েছে। বছর বছর বেতন বৃদ্ধিই শুধুই নয়, বেশিরভাগ বেসরকারি প্রাথমিকেই প্রতি মাসে বেতনের মাত্রা ওঠানামা করে। আবার স্কুলের মাধ্যমে বই কিনতে বাধ্য করে বাজারের চেয়ে দ্বিগুণ দাম নেয়ার অভিযোগও রয়েছে। সরকারের নতুন নীতিমালায় এসব ক্ষেত্রে লাগাম টানতে চায় মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের বেতনের ভারসাম্য আনতে চায় এবং বইয়ের ভারও কমাতে চায়। প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী এনসিটিবির পাঠ্যপুস্তক বাধ্যতামুলকভাবে পড়াতে হবে। পালন করতে হবে সকল জাতীয় দিবস। তবে ইংলিশ ভার্সন থাকলেও এই নীতিমালার আওতায় নেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুল।