News71.com
 Bangladesh
 01 Feb 24, 10:38 AM
 161           
 0
 01 Feb 24, 10:38 AM

নগদ সহায়তা হারানোর শঙ্কায় উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের পোশাক খাত॥

নগদ সহায়তা হারানোর শঙ্কায় উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের পোশাক খাত॥

নিউজ ডেস্কঃ রপ্তানি খাতে নগদ সহায়তা তুলে দেয়ার আকস্মিক সিদ্ধান্তে রপ্তানির-প্রধান খাত পোশাক শিল্প সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন মালিকরা৷ তারা বলছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার পিছনে কোনো মহলের হাত থাকতে পারে৷।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের ক্লাবে গেলে তখন আর নগদ সহায়তা রাখার সুযোগ থাকবে না৷ তারই অংশ হিসেবে নগদ সহায়তা ধাপে ধাপে তুলে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে৷ উল্লেখ্য বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা ৮৪ ভাগ আসে পোশাক খাত থেকে৷ পোশাক শিল্পের মালিকরা বলছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এটা করা যেতো৷ কারণ, এই সময়ে ডলার সংকটসহ নানা কারণে পোশাক খাত চাপে আছে৷ বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠির প্রেক্ষিতে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কথা প্রজ্ঞাপনে বললেও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, " নগদ সহায়তা ধীরে ধীরে কমবে৷

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পোশাক খাতের পাঁচটি এইচএস কোডের পোশাক রপ্তানিতে আর নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে না৷ পণ্যগুলো হচ্ছে নিট কাপড়ের টি-শার্ট, শার্ট, ট্রাউজার, ওভেন কাপড়ের জ্যাকেট, ব্লেজার ইত্যাদি৷ আর রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা চার শতাংশ থেকে কমিয়ে তিন শতাংশ করা হয়েছে৷ ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতের রপ্তানিকারকদের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা দুই শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে এক শতাংশ৷ পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানার রপ্তানি প্রণোদনা চার শতাংশ বহাল রয়েছে৷ তৈরি পোশাক খাতে নতুন পণ্য বা নতুন বাজারে চার শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে তিন শতাংশ৷ নতুন বাজার থেকে ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে বাদ দেওয়া হয়েছে৷ এছাড়া তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশেষ নগদ সহায়তা এক শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫০ শতাংশ করা হয়েছে৷ জানুয়ারি মাস থেকেই এটা কার্যকরের কথা বলা হয়েছে৷

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন