
নিউজ ডেস্ক: ত্রুটিপূর্ণ ভোট বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তেজনাকে বাড়িয়ে তুলবে বলে মন্তব্য করেছে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসভিত্তিক স্বাধীন গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি)। সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব ছিল। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ত্রুটিপূর্ণ ভোট হলে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। আইসিজির “বিয়ন্ড দ্য ইলেকশন: ব্রেকিং বাংলাদেশ’স পলিটিক্যাল ডেডলক” শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়।
চলমান অর্থনৈতিক সংকট উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা করছে বাংলাদেশে। এর ফলে জীবিকা উপার্জনে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন-আয়ের শ্রমিকরা। এসবের পেছনে বাহ্যিক কিছু কারণ আংশিক ভূমিকা রাখলেও দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা- বিশেষ করে বেধে দেওয়া মুদ্রা বিনিময় হার নীতির ফলে অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে একদিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকচিক্য বন্ধ হয়ে গেছে, অন্যদিকে গত নির্বাচনের পর থেকেই বৃদ্ধি পেয়েছে দেশে-বিদেশে অসন্তোষ।
বিরোধী দলের অবস্থান ও নেতাদের কারাবরণ প্রসঙ্গে ক্রাইসিস গ্রুপ বলছে, কর্তৃত্ববাদ ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রম-বর্ধমান অসন্তোষের মধ্যে অনেকটাই শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছে বিরোধীরা। কিন্তু তাদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন ও বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের গ্রেফতার বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজনা। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের সমাবেশে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগে দলটির অধিকাংশ জ্যেষ্ঠ নেতাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের রিমান্ডে নেয়া হয়।