
নিউজ ডেস্কঃ নির্বাচন সামনে রেখে আছে বড় নাশকতার শঙ্কা। এর সঙ্গে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সংঘাত। বিএনপির সঙ্গে সমমনা দলগুলোর দফায় দফায় হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে একের পর এক জ্বলছে নাশকতার আগুন। নিভছে তাজা প্রাণ। নতুন করে বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, তফশিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনি সংঘাত-সহিংসতা জনমনে ভীতি ছড়াচ্ছে। আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণার শুরু হতেই মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় নৌকা-স্বতন্ত্র সংঘাতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। সামগ্রিক বিবেচনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তার নতুন ছক তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কৌশলের পাশাপাশি প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে সব ধরনের সংঘাত-সহিংসতা দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাশকতা ঠেকাতে কেপিআইসহ সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পাহারা বসানো হচ্ছে। পুলিশ, র্যাব, আনসারের পাশাপাশি নিরাপত্তায় কাজ করছেন বিজিবি সদস্যরা। ২৯ ডিসেম্বর নামবে সেনাবাহিনী। একাধিক সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত আছেন। যে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার যোগ্য করেই আমরা পুলিশ বাহিনীকে তৈরি করেছি। আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’