
নিউজ ডেস্কঃ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ, বাংলাদেশ তার শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্কুলারিটি মডেলে রূপান্তরের যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত করছে। বর্তমানে ’সার্কুলারিটি’ বাংলাদেশে পরিবেশগত প্রভাব হ্রাস, অর্থনৈতিক কর্মদক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুবিধা তৈরি প্রভৃতি ক্ষেত্রগুলোতে উল্লেখযোগ্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সার্কুলারিটি গ্রহণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও আছে, যেগুলো সম্মিলিতভাবে বিবেচনা করা এবং সমাধান করা আবশ্যক।
এ বিষয়টি সমাধানের জন্য ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ঢাকার আমারি হোটেলে শিল্প নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক এবং সার্কুলার অর্থনীতির বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল “আপস্ট্রিম সার্কুলারিটি ডায়ালগ: বাংলাদেশে প্রাক-ভোক্তা টেক্সটাইল বর্জ্য’ শীর্ষক এক সংলাপে বসেন। সংলাপের মূল বিষয়গুলো ছিলো বাংলাদেশে একটি সমৃদ্ধ সার্কুলার ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল, নীতি, অবকাঠামো, সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনী পন্থা গ্রহণ করা ইত্যাদি ।
এই ইভেন্টটি ’সুইচ টু সার্কুলার ইকোনমি ভ্যালু চেইনস প্রজেক্ট’ (SWITCH2CE) শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে আয়োজন করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং ফিনল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে ইউনিডো এর নেতৃত্বে চ্যাথাম হাউজ (CHATHAM House), সার্কল ইকোনমি (Circle ECONOMY), ইউরোপিয়ান ইনভেষ্টমেন্ট ব্যাংক (European Investment Bank) এবং গ্লোবাল ভ্যালু চেইনের সার্কুলারিটি সমর্থনকারীদের সহযোগিতায় প্রকল্পটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।