News71.com
 Bangladesh
 31 Jul 23, 10:22 AM
 163           
 0
 31 Jul 23, 10:22 AM

দেশের প্রথম আইকনিক রেল স্টেশন দৃশ্যমান।॥ ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

দেশের প্রথম আইকনিক রেল স্টেশন দৃশ্যমান।॥ ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ দেশের প্রথম আইকনিক রেল ষ্টেশন দৃশ্যমান হয়েছে। বাড়তি সুবিধা হিসেবে এই রেল ষ্টেশনে থাকবে মার্কেট, লকার, ফুড কর্নার, আন্তর্জাতিক মানের আবাসিক হোটেল, মসজিদ, শিশুযত্ন কেন্দ্র, এটিএম বুথ, পোস্ট অফিস, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন বুথসহ ১৭ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। নতুন যুগের সূচনার অপেক্ষায় এখন দেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজার। শহর থেকে তিন কিলোমিটার পূর্বে ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকায় ২৯ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের প্রথম আইকনিক রেল স্টেশন। 

 

ঝিনুকের আদলে তৈরি দৃষ্টিনন্দন এ স্টেশন ভবনটির আয়তন ১ লাখ ৮২ হাজার বর্গফুট। ছয়তলা ভবনটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নান্দনিক ডিজাইন আর নির্মাণশৈলীর পাশাপাশি এর বহুমাত্রিক পরিধি নিয়ে গড়ে ওঠা এই স্টেশনই হতে পারে পর্যটকদের বিনোদনের নতুন গন্তব্য। আক্ষরিক অর্থে ঝিনুক না হলেও সমুদ্রদর্শনে এসে প্রথম দর্শনেই যেন সামুদ্রিক একটা আবহ পাওয়া যায় গোটা স্টেশনে। এখানে থাকবে মার্কেট, লকার, ফুড কর্নার, তারকা মানের হোটেল, মসজিদ, শিশুযত্ন কেন্দ্র, এটিএম বুথ, পোস্ট অফিস, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন বুথসহ ১৭টি বাণিজ্যিক কার্যক্রম।

 

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরে দেশের প্রথম আইকনিক রেল স্টেশন ও ট্রেন চলাচল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে পুরোপুরি চালু হবে। এর মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পে আমূল পরিবর্তন ও দেশের অর্থনীতির গতি বাড়বে বহু গুণ। হবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। এই পরিসেবা চালুর মাধ্যমে যাত্রীদের সময় ও অর্থ দুটোই বাচবে এই ভ্রমনে। সড়কপথে ঢাকা থেকে কক্সবাজার আসতে যেখানে সময় লাগে প্রায় সাড়ে ১১ ঘণ্টা, ট্রেনে আসতে সেখানে লাগবে মাত্র সাড়ে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা। কমে আসবে পরিবহন ব্যয়ও। ঢাকা থেকে এসি বাসে যেখানে গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানে ট্রেনের এসি চেয়ারে বসে কক্সবাজার আসতে লাগবে মাত্র ১ হাজার টাকার কিছু বেশি। 

 

এই পরিসেবা চালু হলে সড়কপথের দীর্ঘযাত্রার ভোগান্তি ছাড়াই পর্যটনপিয়াসীরা টাকা ও সময় বাচিয়ে সহজেই ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটন নগরী কক্সবাজার  । সুবিশাল চলন্ত সিঁড়ি দিয়ে উঠে দোতলা থেকে নামতে হবে ট্রেনের প্ল্যাটফরমে। আর আসার যাত্রীরা বের হবেন নিচ থেকে। স্টেশনের ভেতরেই থাকবে কেনাকাটার ব্যবস্থা। থাকবে হলরুম। আবার চাইলেই নির্দিষ্ট লকারে ব্যাগ রেখে পর্যটকরা ঘুরে আসতে পারবেন পুরো শহর। এছাড়া থাকছে আধুনিক ট্রাফিক সুবিধা। স্টেশনের নিচতলায় থাকছে টিকিট কাউন্টার, অভ্যর্থনা কেন্দ্র, লকারসহ নানা সুবিধা। দ্বিতীয় তলায় শপিংমল ও রেস্তোঁরা। তিন তলায় থাকবে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন