
নিউজ ডেস্ক : উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নতুন ল্যান্ডমার্ক ট্রেডিং স্কিম চালু করেছে যুক্তরাজ্য।
দেশটির ল্যান্ডমার্ক ডেভেলপিং কান্ট্রিস ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) সোমবার (১৯ জুন) থেকে কার্যকর হচ্ছে।
এ স্কিমটি ট্রেডিং নিয়মগুলোকে সহজ করবে এবং বাংলাদেশসহ ৬৫টি উন্নয়নশীল দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করা পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে দেবে।
সোমবার ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন জানায়, ডিসিটিএস বাণিজ্য বৃদ্ধি, চাকরি বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
এ নতুন পরিকল্পনা বাংলাদেশের সঙ্গে একটি আধুনিক ও পারস্পরিকভাবে উপকারী অংশীদারিত্বের প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা থেকে স্নাতক হবে।
ডিসিটিএস’র পরিবর্তনের অর্থ হলো বাংলাদেশ তৈরি পোশাকসহ ৯৮ শতাংশ রপ্তানির জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশ বজায় রাখবে। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্কিমের চেয়ে অনেক বেশি উদার যেখানে যুক্তরাজ্য আগে সদস্য ছিল। এ স্কিমটি বিশ্ব অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর একীভূতকরণে অবদান রাখবে, ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার তৈরি ও সরবরাহ চেইনগুলোকে শক্তিশালী করবে।
ডিসিটিএস শুল্কমুক্ত মর্যাদা না হারিয়ে অন্যান্য দেশের উপাদান ব্যবহার করে পণ্য উৎপাদন করা সহজ করে তোলে। নতুন স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ৯৫টি দেশের কাঁচামাল যুক্ত গ্লোবাল ভ্যালু চেইনে অংশগ্রহণ করতে পারবে, তাদের চূড়ান্ত পণ্য যুক্তরাজ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি করতে পারবে, যদি তারা নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে। ডিসিটিএস অবাধ ও ন্যায্য বাণিজ্য, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রচার করে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, ডিসিটিএস বাংলাদেশের উৎপাদন ক্ষমতাকে সমর্থন করবে, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে এবং এটিকে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে প্রবেশ করার অনুমতি দেবে। এটি বৃহত্তর ভোক্তা পছন্দ ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে উপকৃত করবে। এ ঘোষণা গভীরতর, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি আধুনিক ও পারস্পরিকভাবে অংশীদারিত্বের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে জোরদার করে।