
নিউজ ডেস্কঃ তীব্র গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত হলেও খুব শিগগিরই মিলছে না স্বস্তি। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, পুরো জুন মাসজুড়েই থাকবে গরমের তীব্রতা।হঠাৎই দেশে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ। জুন মাসে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে যুক্ত হয়েছে তীব্র তাপদাহ। ঘরে চলছে না ফ্যান বা এসি, বাইরেও ভ্যাপসা গরম। সব মিলিয়ে গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসী। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই। একটু স্বস্তির আশায় ভর দুপুরেও খাবারের হোটেল ভিড় নয়, সরবতের দোকানগুলোতে।
রাজধানীবাসী বলছেন, কয়েক দিন ধরে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে। তার ওপর একটু পর পর লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে ঘরের ভেতরে থাকা যাচ্ছে না। আর বাহিরেও প্রচুর গরম। প্রচণ্ড গরমে খুবই অশান্তি বোধ হচ্ছে। শরবত বিক্রেতারা বলছেন, গরমের কারণে বেচাবিক্রি বেড়েছে। অন্যান্য ঠান্ডা জাতীয় খাবারের চেয়ে জুসের দাম একটু কম। এ কারণে ভালো বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, এ বছর জুন মাসের প্রথম ২ দিনেই স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপদাহ রেকর্ড হয়েছ। ১১ বছরের মধ্যে জুন মাসে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে বৃহস্পতিবার (১ জুন)। আর রাজধানীতে ৭ বছরের মধ্যে জুন মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ডও হয় এদিন।