
সকাল ৯টার দিকে গাজীপুরের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের টঙ্গী দারুস সালাম মাদরাসা কেন্দ্রে ভোট দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের একপ্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান৷
তিনি বলেন, ‘‘স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে এসেছেন৷ যে বড় লাইন দেখা যাচ্ছে এতেই বোঝা যাচ্ছে পুরো গাজীপুরে জনগণের অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী৷ আমার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল৷ সব সময়ই আমি জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল৷ আজকে জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে আমি সেই রায় অবশ্যই মেনে নেব৷
তিনি বলেন, জয় পরাজয় আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত৷ ফয়সালা আসমান থেকে হয়, এটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, যোগ করেন তিনি৷
বাড়ির পাশের কেন্দ্রে অন্য প্রার্থীদের এজেন্ট নেই? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আজমত উল্লাহ খান বলেন, ‘‘আমি তো কাউকে কোনো প্রার্থীর এজেন্ট দিতে পারব না৷ সুতরাং এই কথাটি তাদের জিজ্ঞেস করুন, উত্তর অবশ্যই পাবেন৷ ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট নিয়ে কোনো বাধা নেই৷''
অনেক জায়গায় এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এ বিষয়ে আজমত উল্লা খান বলেন, ‘‘আপনি সুনির্দিষ্ট করে বলুন, কোনো কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে৷ অন্য প্রার্থীরা যদি এজেন্ট দিতে না পারে তাহলে আমি তো সেই দায়িত্ব নেব না৷''
ইভিএম মেশিনে অনেক ভোটারের ফিঙ্গারে মিলছে না, তারা ভোট দিতে পারেনি এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা রয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে আজমত উল্লাহ খান বলেন, ‘‘যদি কারো ফিঙ্গার না মেলে, আর তার যদি স্মার্ট কার্ড থাকে তবে সে অবশ্যই ভোট দিতে পারবেন, এটা সবার জন্য প্রযোজ্য৷''
বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএম মেশিন ত্রুটি দেখা দিচ্ছে, এই কারণে ভোট গ্রহণের সংখ্যা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘‘আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করব, ভোট গ্রহণের সময় পর্যন্ত ভোটাররা ভোট দিবে৷ যদি সময় শেষে হয়ে যায়, তবে যদি লাইনে ভোটাররা দাঁড়িয়ে থাকেন তাহলে সবার ভোট যেন নেওয়া হয়৷''