
নিউজ ডেস্কঃ প্রতি বছর রমজান এলেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ সব ধরনের দ্রব্যের বাজার। এবার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে রমজানের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল সে অস্থিরতা। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য ভোক্তার সহনীয় পর্যায়ে রাখা যাবে কিনা সেটি নিয়েও দেখা দিয়েছিল নানা শঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী ও তাদের সংগঠন এবং বাজার কমিটিগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বাজারে প্রতিনিয়ত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি চালানো হয়েছে অভিযান। তবে এতে কতটুকু সফল হয়েছে সরকারি এই সংস্থাটি? সেটিই ফেসবুক লাইভে এসে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।
সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুর ১২টায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন তিনি। ফেসবুক লাইভে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশে ব্যবসায়ীরা রমজানের সময় বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করেন। আরব দেশগুলোতে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ছাড় দেন তারা। কিন্তু বাংলাদেশ ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশ হওয়ার পরও ব্যবসায়ীরা রমজানকে উপলক্ষ্য করে সুযোগ নেন। কারণ এ সময় ভোক্তাদের দ্রব্যের চাহিদা বেড়ে যায়।