
নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০১৬-২০১৭ সাল থেকে বিশেষ করে ২০১৮ সাল থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছে। মানুষের গড় প্রতি যেটুকু মাছের প্রয়োজন তার থেকে আমরা এখন একটু ভালো করছি।এখন আমরা মাছ রপ্তানিও করছি। চাঁদপুরে এখন আমরা যে মাছ উৎপাদন করছি তার অর্ধেকই উদ্বৃত্ত থাকে। জাতীয় পর্যায়ে মাছের যে ব্যাপক উৎপাদন এবং বিদেশে রপ্তানির ব্যাপারে চাঁদপুর একটি বড় ভূমিকা রাখে। যার কারণে চাঁদপুরবাসীর একজন হিসেবে আমি গর্বিত।আজ শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় মৎস সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাছ উৎপাদনে যারা শ্রম দেয় তাদের যদি সঠিকভাবে সহযোগিতা দেওয়া যায় তাহলে তারা যে ম্যাজিকের মত সেটা করে দিতে পারে বাংলাদেশ তার প্রমাণ। আমাদের কৃষি উৎপাদন যে পরিমাণ বেড়েছে, দেশীয় ফল, শাকসবজি এবং মাছের উৎপাদন এগুলো সম্ভব হয়েছে আমাদের দেশের মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনার এবং কর্মস্পৃহার কারণে। আমরা এখন মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে ২য়, বদ্ধ জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে ৫ম, বিশ্বে ১১টি দেশ ইলিশ উৎপাদন করে তারমধ্যে আমরা ১ম। ইলিশ উৎপাদনে বর্তমানে আড়াইগুণ বেড়েছে। এর অবদান সংশ্লিষ্ট সবার। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা লাগে। মাছের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। সবার চেষ্টার মধ্য দিয়েই আমরা সাফল্য অর্জন করতে পারছি।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ইমতিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- চট্টগ্রাম মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুস ছাত্তার, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান । স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় মৎসজীবী নেতাদের পক্ষে বক্তব্য দেন শাহ আলম মল্লিক।আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আসিফ মহিউদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, কোস্টগার্ডসহ আরও অনেকে।