
নিউজ ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতির কারণে কাল থেকে বন্ধ থাকবে মৈত্রী এক্সপ্রেস। তবে শেষ দিন শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটিতে বাংলাদেশিদের উঠতে দেয়া হয়নি। এতে শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য যেতে না পেরে বিপাকে পড়েন অনেকেই। এদিকে স্থলবন্দরগুলোও যাত্রী শূন্য। তবে সবকটি বন্দরেই পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল স্বাভাবিক আছে। রোববার (১৫ মার্চ) থেকে এক মাসের জন্য বন্ধ থাকবে মৈত্রী এক্সপ্রেস। শেষ দিন সকাল সোয়া আটটায় কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যায় ট্রেনটি। একইভাবে ভারতীয় সময় সকাল সোয়া সাতটায় কলকাতা থেকে ১৮৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে মৈত্রী এক্সপ্রেস। তবে বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটিতে ১৩৮ জন বাংলাদেশির টিকিট কাটা থাকলেও, শুধু জাতিসংঘের কর্মকর্তা ও ভারতীয়দের ইমিগ্রেশন দেয়া হয়। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েন অনেক বাংলাদেশি যাত্রী।
তবে যেসব বাংলাদেশি শনিবার ও পরবর্তী তারিখের টিকিট কেটে ছিলেন, তাদের টিকিটের মূল্য ফেরত দেয়া হবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (মার্কেটিং) কালিকান্ত ঘোষ বলেন, অফিসিয়াল, কূটনৈতিক, সংস্থা, প্রজেক্ট ভিসা আর যারা ভারতীয় তাদেরই যাওয়ার অনুমতি আছে। আর বাকিদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। স্থলবন্দরগুলোতে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ইমিগ্রেশন। শনিবার সকাল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া স্থলবন্দর অনেকটাই ফাঁকা। কেবলমাত্র বাংলাদেশে আসা ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা তাদের দেশে ফিরতে পারছে। নিষেধাজ্ঞা জারির পর প্রথম দিন বেনাপোল ইমিগ্রেশনের বহির্গমন বিভাগে অলস সময় কাটাচ্ছেন কর্মকর্তারা। মাঝে মাঝে দুই একজন ভারতীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরে যেতে আসছেন বহির্গমন বিভাগে। তবে স্বাভাবিক রয়েছে ভারত থেকে আগমন কার্যক্রম। চলছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমও।