
নিউজ ডেস্কঃঅস্ত্র মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা জি কে শামিমের জামিন বাতিল চেয়ে রোববার (৮ মার্চ) হাইকোর্টে আবেদন করছে রাষ্ট্রপক্ষ। একই সঙ্গে তার জামিন সংক্রান্ত সকল নথি তলব করেছেন প্রধান বিচারপতি। এর আগে শনিবার (৭ মার্চ) জানা যায়, কঠোর গোপনীয়তায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ও বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীমকে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ৬ মাসের জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে জামিনের বিষয়ে জানা নেই বলে দাবি করেছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুর রহমান খান। গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনের অফিস থেকে ৬ দেহরক্ষী ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, এফডিআর ও স্বর্ণালঙ্কারসহ গ্রেফতার করা হয় যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামীমকে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, অর্থপাচার ও মাদক মামলা রয়েছে।
রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত ছিলো। এছাড়া গণপূর্ত ভবনের বেশিরভাগ ঠিকাদারি কাজই ছিলো জি কে শামীমের নিয়ন্ত্রণে। গ্রেফতারের পর জি কে শামীমের বিষয়ে বেরিয়ে আসতে থাকে শত শত কোটি টাকার নানা অনিয়মের কথা। এছাড়া গত বছরের ২১ অক্টোবর জিকে শামীমের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। মামলায় জিকে শামীম অবৈধ উপায়ে মোট ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়। এসব মামলায় একাধিকবার জি কে শামীকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় চার্জশিট হয়েছে। বাকিগুলো তদন্তাধীন রয়েছে । জানা যায়, গ্রেফতারের ৬ মাস না যেতেই অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে গত ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের আগাম জামিন নেন তিনি। তার জামিনের লিখিত আদেশ প্রকাশিত হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। জি কে শামীমের জামিনের বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুর রহমান খান জানান, তিনি জামিনের বিষয়ে কিছুই জানেন না। রোববার খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।