
নিউজ ডেস্কঃ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, তিস্তা নদীর তথ্য হালনাগাদ করে তা সমন্বয়ের চেষ্টা চলছে। সম্ভবত এ বছরের মধ্যে অভিন্ন নদীটির পানি বণ্টনের চুক্তি সই হবে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ ) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এদিন সকালে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন। দুই দিনের সফরের প্রথম দিনে 'বাংলাদেশ ও ভারত: একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ' শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস-বিস) ও ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন যৌথভাবে ওই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীও দ্রম্নততম সময়ে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সইয়ের তাগিদ দেন। বিসের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এম ফজলুল করিমের সঞ্চালনায় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস ও বিসের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল শেখ মাসুদ আহমেদ বক্তব্য দেন। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সইয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশেরই আগ্রহ রয়েছে। অভিন্ন নদীটির পানির তথ্য হালনাগাদ করে সমন্বয়ের প্রক্রিয়া চলছে। এ বছরের মধ্যেই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা আছে। শ্রিংলা বলেন, ভারতের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) একান্তই অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটা প্রতিবেশী দেশে প্রভাব ফেলবে না। ভারতের আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ীই এনআরসি হচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের সহযোগিতার ওপর জোর দেন।