
নিউজ ডেস্কঃ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা বাতিল চেয়ে নতুন নির্বাচনের জন্য আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন বিএনপির দুই মেয়রপ্রার্থী। মঙ্গলবার ঢাকার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য মামলা দুটি আমলে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুহ হুদাসহ ১৫ জন বিবাদীকে এ বিষয়ে জবাব দিতে সমন জারি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের স্টেনোগ্রাফার জাহাঙ্গীর আলম জানান, আদালত আগামী ২ এপ্রিল সমনের জবাব দেওয়ার দিন ধার্য করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে উল্লেখ করে তা বাতিল এবং নতুন নির্বাচনের দাবিতে ওই আদলতে একটি মামলা দায়ের করেন ডিএসসিসির বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন। মামলায় সিইসি কে এম নুরুল হুদা, ডিএসসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন ও ডিএসসিসির নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসহ সহ আটজনকে বিবাদী করা হয়। এর আগের দিন সোমবার একই অভিযোগে ও একই দাবিতে ওই আদালতে মামলা করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বিএনপির মনোনীত মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল।
মামলায় সিইসি কে এম নুরুল হুদা, ডিএনসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম ও ডিএনসিসির নবনির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলামসহ আটজনকে বিবাদী করা হয়। পরে আজ মঙ্গলবার আদালতের বিচারক পৃথক মামলা দুটি আমলে নিয়ে সিইসি কে এম নুরুল হুদাসহ মোট ১৫ জনকে জবাব দেওয়ার জন্য সমন জারি করেন। এ বিষয়ে দুই মামলার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, দুই সিটির নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিতে যায়নি। নির্বাচনও সঠিকভাবে হয়নি। এতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। তাই দুই সিটির বিএনপির মনোনীত মেয়রপ্রার্থীরা ওই নির্বাচন বাতিল চেয়ে নতুন নির্বাচনের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেছে।উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডিএনসিসিতে মেয়র পদে জয় লাভ করেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম ও ডিএসসিসিতে জয় লাভ করেন একই দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।