
নিউজ ডেস্কঃ গ্রাহকদের এক কোটি এক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় বাগেরহাট সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক শেখ মুজিবর রহমানকে (৫৮) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুরে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গাজী রহমানের আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ব্যাংক কর্মকর্তা শেখ মুজিবর রহমান জেলার রামপাল উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়নের চাকশ্রী গ্রামের প্রয়াত শেখ হাসান আলীর ছেলে। দুর্নীতি দমন কমিশনের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের (বাগেরহাট-খুলনা-সাতক্ষীরা) নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী মিলন কুমার ব্যানার্জী এই প্রতিবেদককে বলেন, ২০১২ সাল থেকে ১৫ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখার ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় শেখ মুজিবর রহমান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শেখ মাহফিজুর রহমান বাবু পরস্পর যোগসাজশে ওই ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের রাখা এক কোটি এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৭৯ টাকা আত্মসাৎ করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্তে নেমে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের সত্যতা পায়। এই ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নাজমুল হাসান বাদী হয়ে ব্যাংক ব্যবস্থাপক শেখ মুজিবর রহমান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শেখ মাহফিজুর রহমান বাবুর বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় মামলা করেন। এই মামলার প্রধান আসামী সাবেক ব্যবস্থাপক শেখ মুজিবর রহমান উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অপর আসামী শেখ মাহফিজুর রহমান বাবু (৩৭) বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।