
নিউজ ডেস্কঃ ক্লিনিকের রিসিপশন বিভাগের এক মেয়েকে কোমলপানীর মধ্যে চেতনাাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইর্ন্টানী চিকিৎসক রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্যাতিতা ওই মেয়ে বাদী হয়ে ধর্ষক রিয়াজুলসহ তিন জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামি রিয়াজুল ইসলাম (২৫) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বন্দিপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইর্ন্টানী চিকিৎসক।এ মামলার অপর দুই পলাতক আসামিরা হলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬) ও সদর উপজেলার বাঁকাল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান মিঠুন(৩৬)। এদিকে, ধর্ষিতা ওই মেয়ে (২১) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। মেয়েটি বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি মেয়েটি শহরের পলাশপোল এলাকার শিমুল মেমোরিয়াল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনিষ্ট সেন্টারে রিসিপশন বিভাগে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে চিকিৎসক রিয়াজুল তাকে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভনসহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।