
নিউজ ডেস্কঃ দশ বছর পর সিদ্দিক হোসেনকে পেয়ে আনন্দ ও বেদনার অভূতপূর্ব অনুভুতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তার স্ত্রী ও কন্যা। নিরুদ্দেশ হওয়া প্রিয় মানুষটির আশা যখন ছেড়েই দিয়েছিলো পরিবার, ঠিক তখন তার সঙ্গে মহামিলনের ক্ষণটি স্মরণীয় হয়ে থাকলো রংপুরের হারাগাছের মানুষের কাছে। ২০১০ সালে নিখোজ হওয়া লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সরলখাঁ গ্রামের এই কৃষককে গত ২৯ জানুয়ারি পার্শ্ববর্তী রংপুরের হারাগাছের বাহার কাছনায় উদ্দেশ্যহীন চলাফেরা করতে দেখে কথা বলেন এলাকার জাহিদুল ইসলাম। তার নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতে পারেনি। তিনি মমত্ববোধ থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সেবা শুশ্রুষা করতে থাকেন।
পরে গত ২ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় থানায় বিষয়টি অবগতকরণের জন্য সাধারণ ডায়েরি করেন। হটাত করেই তার নাম ও গ্রামের ঠিকানা মনে পড়লে লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায় যোগাযোগ করলে নিশ্চিত হন হারাগাছ থানার ওসি রেজাউল। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে হারাগাছ থানায় এনে সিদ্দিককে স্ত্রী রশিদা বেগম এবং মেয়ে শিরিনা বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দশ বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারানো সিদ্দিক দুই সন্তান ও স্ত্রীকে ফেলে নিরুদ্দেশ হন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাকে পেয়ে আনন্দে-আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে পরিবারের সদস্যরা। বিকালে এ ব্যাপারে হারাগাছ থানায় প্রেস-বিফিং করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুত্তাকী ইবনে মিনান।