
নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চীনের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট বাতিল করলেও বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি পুরোপুরি এয়ালাইন্সগুলোর ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। যদিও দেশটিতে ফ্লাইট পরিচালনাকারী দেশীয় বিমান সংস্থা ইউএস বাংলা বলছে, তাদের আপাতত ফ্লাইট বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ বিষয়ে সরকারি কোন নির্দেশনাও পাননি তারা। আর শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে , চীন থেকে যাত্রী আসা অব্যাহত রাখাটা ঝুঁকিপূর্ণ। চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এই প্রেক্ষাপটে সংক্রমণ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জামার্নি, সুইডেন, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ১৮টির মতো এয়ারলাইন্স চীনে ফ্লাইট বাতিল করেছে। অনেক এয়ারলাইন্স কমিয়ে দিয়েছে ফ্লাইট। তবে এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি বাংলাদেশ।
সোমবার এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, যাত্রী কম থাকায় এয়ারলাইন্সগুলো নিজেরাই ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেবে। বাংলাদেশে থেকে দেশীয় বিমান সংস্থা ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ও দুটি চীনা এয়ারলাইন্স প্রতিদিন চীনে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে। এছাড়া ড্রাগন এয়ারলাইন্স সপ্তাহে চার দিন হংকয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এর বাইরে চীন থেকে অন্য দেশ হয়ে বাংলাদেশে আসছে আরো ৫টি এয়ারলাইন্স।যদিও ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ জানান, বাংলাদেশ থেকে চীনে যাত্রীদের যাওয়া কমলেও করোনা ভাইরাসের কারণে ফিরতি ফ্লাইটে কোন আসন ফাঁকা থাকছে না। সরকারি কোন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধের কোন পরিকল্পনা নেই বলেও জানায় সংস্থাটি। দেহে সুপ্ত অবস্থায় করোনা ভাইরাস থাকলে সেটা থার্মাল স্ক্যানারে শনাক্ত হয় না। তাই যাত্রী আসা বন্ধ না করলে শুধু স্ক্রিনিং করে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন বলে মনে করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এদিকে সরাসরি ফ্লাইটের যাত্রীদের বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানারে নিবিড়ভাবে স্ক্রিনিং করা হলেও ট্রানজিট ফ্লাইটের যাত্রীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে না। গত ১৪ দিনে চীন থেকে সরাসরি ফ্লাইটে দেশে এসেছে প্রায় ৫ হাজার যাত্রী।