
নিউজ ডেস্কঃ গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছরেও শেষ হয়নি বিচার কার্যক্রম। সেদিন আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরো ৭০ জন। এখনও বিচার না পেয়ে হতাশ নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী। শিগগগিরই অপরাধীদের শাস্তির আশা বাদীপক্ষের। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে আওয়ামী লীগের ঈদ-পরবর্তী জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী। রাতেই হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু'টি মামলা করেন। বাদীপক্ষের না-রাজীর প্রেক্ষিতে পরপর দু'বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা ও তদন্তকারী কর্মকর্তা পাল্টানোয় বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হয়। সবশেষ সিআইডি তৃতীয় সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগপত্রে সাবেক স্মরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মুফতি হান্নান, সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছ, হারিছ চৌধুরীসহ ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে মুফতি হান্নানসহ ৩ আসামীর অন্য মামলায় ফাঁসি হয়েছে। বিচারকাজ শেষ হবার ব্যাপারে এখনও আশাবাদী মামলার বাদী ও হামলায় আহতরা। কিবরিয়া হত্যা মামলার বাদি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান বলেন, 'মানুষ আগ্রহ ভরে দেখতে চায় এই মামলার বিচার যেনো আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই হয়।' হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির বলেন, 'বিএনপি পরিকল্পিতভাবে এই আসামিদের গড় হাজিরা দিয়ে মামলাটির দীর্ঘসূত্রিতা করে ঝুলিয়ে রেখেছে।' মিথ্যা তদন্তের ভিত্তিতে বিচার মেনে নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনেরা।