
নিউজ ডেস্কঃ যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা ঈশ্বরদীর কামাল হোসেনকে কৌশলে প্রাইভেটকারে তুলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ মির্জাপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তিনজনের মধ্যে গত রোববার দুইজন এবং সোমবার একজন টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর গ্রামের কামাল হোসেনের মরদেহ গত ৭ নভেম্বর দুপুরে মির্জাপুর উপজেলার বাইমাইল এলাকায় মহাসড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কামাল হোসেনের হাত ও চোখ বাঁধা এবং গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।পকেটে পাওয়া একটি চিরকুট ও মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরে তার পরিচয় পাওয়া যায়। ঘটনার পরদিন কামাল হোসেনের ছেলে কামরুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল শনিবার রাতে ঢাকার সাভার থেকে কাউছার আহেমদ (৩৫) ও কাফরুল থেকে মাঈনুল ইসলাম (৩০) নামে দুজনকে গ্রেফতার করে। তাদের দুজনের বাড়িই বরিশালের উজিরপুর উপজেলায়।