
নিউজ ডেস্কঃ গার্মেন্টসকর্মী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কেউই এখন আর নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আয়োজনে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তারা। সমাবেশে নেতারা বলেন, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজে চরম অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিতে ধর্ষক-নিপীড়ক এবং দুর্নীতিবাজরা চরম বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ধর্ষকদের যথাযথ শাস্তি না হওয়ায় সমাজে নারী নির্যাতনের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তারা বলেন, গার্মেন্টসকর্মী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কেউই এখন আর নিরাপদ নন। ক্রমেই দেশে অরাজকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অরাজকতার দায় অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে।
নেতারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দুর্বার আন্দোলনের ফলে ধর্ষক গ্রেফতার হলেও অসংখ্য ধর্ষক-নিপীড়ক বিচারের আওতায় আসছে না। সোহাগী জাহান তনুসহ বহু চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ এবং এর পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি। গত বছর দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৭০৩ জন। বিচারহীনতাই অব্যাহত ধর্ষণ-নিপীড়নের জন্য দায়ী। এর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জোটের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য লীনা চক্রবর্তী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য বহ্নি শিখা জামালী, বাসদ নেতা শম্পা বসু, বাসদ নেতা নাঈমা খালেদ মনিকা প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ করা হয়।