
নিউজ ডেস্কঃ গণপরিবহনে নারীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রতিটি রুটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা দরকার বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা। তিনি বলেছেন, গণপরিবহনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ফোন নম্বর ও যোগাযোগের ঠিকানা দেওয়া থাকবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে সব গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বাস থেকে নেমে ধর্ষণ হওয়ার ঘটনার আলোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার (০৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণপরিবহনে নারীর নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের দেশে ৯২ শতাংশ মানুষ গণপরিবহেন চলাচল করে। একজন নারী যখন বাইরে বের হয়ে পরিবহনে নির্যাতনের শিকার হয়, তখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। কারণ, এটা অনাকাঙ্ক্ষিত।
‘আমাদের যেটা করণীয় দরকার, প্রতিটি রুটে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু করা। রুট অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের ফোন নম্বর, যোগাযোগ, ঠিকানা গণপরিবহনে প্রকাশ্য স্থানে লিখে রাখলে ভুক্তভোগীরা দ্রুত আইনের সহায়তা নিতে পারবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত বিকৃত মস্তিষ্ক ও বিকৃত মানসিকতার অধিকারীরাই নারী নির্যাতনকারী ও ধর্ষণকারী। তাদের বিরুদ্ধে নারী সমাজকে প্রতিবাদী হতে হবে। নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে দেশে আইন রয়েছে। আইনের কার্যকরী প্রয়োগের পাশাপাশি সন্তানদের পরিবার থেকে নীতি-নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে। ফজিলাতুন নেছা বলেন, আমি আমার মা-বোনদের উদ্দেশে একটা কথা বলছি। পুরুষ যদি নারীদের নির্যাতন করতে পারে, অপমান করতে পারে; আমরা কেন নীরবে সহ্য করবো? আমরা তো নীরবে সহ্য করতে পারবো না।