
নিউজ ডেস্কঃ ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আওয়ামী লীগ। প্রায় সব ওয়ার্ডেই রয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী। ফলে নির্বাচনে দলীয় ভোট ভাগাভাগির আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্রোহী এবং দল সমর্থিত সবাই দাবি করছেন নিজেদের জনপ্রিয়তার কথা। তবে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে নেয়া হবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা বলছে আওয়ামী লীগ। আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আর নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে দলীয় প্রার্থিতাও চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। এরমধ্যে দুই সিটিতে দলের গত মেয়াদে নির্বাচিত ১১ জন কাউনিন্সলর দলীয় সমর্থন বঞ্চিত হয়েছেন। তবে তারাও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ফলে দলীয় প্রার্থীর জয়ের জন্য গলার কাটা হতে পারেন বিদ্রোহীরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার বিষয়ে অনড় প্রার্থীরা। তারা বলেন, মনোনয়ন পাওয়ারা সঠিক নয়। আমাদের বিশ্বাস এটা পরিবর্তন হবে। আর দল সমর্থিত প্রার্থীরা বলছেন, দলীয় সিদ্ধান্ত মানতে হলে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন বিদ্রোহীরা। তারা বলেন, আবেগ দিয়ে নির্বাচন হয় না। দল করতে গেলে কমান্ড অবশ্যই মানতে হবে। দল ও দেশের স্বার্থে এটা উচিত নয়। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যারা নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাদের বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া কথা জানালো আওয়ামী লীগ নেতা বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেন, নির্বাচনে বিজয়ের কথা চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যারা বাধা দেবে তাদের জন্য দলীয় সিদ্ধান্ত হতেই পারে। কাউন্সিলর পদে প্রার্থিতা উন্মুক্ত করার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি।