
নিউজ ডেস্কঃ কৃষি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ও অনুকরণীয় অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ পাচ্ছে ৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ১৪২৫ ও ১৪২৬ বঙ্গাব্দের পুরষ্কার দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করা হবে।মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কৃষিমন্ত্রী ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার ট্রাস্টি বোর্ডের পঞ্চম সভায় একথা জানানো হয়। সভায় আরও জানানো হয়, কৃষক ও কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে কৃষিতে এ সাফল্য। এজন্য ১৪২৪ বঙ্গাব্দের মতো এবারও কৃষি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ও অনুকরণীয় অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ দেওয়া হবে। পুরস্কারসমূহের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পাঁচটি স্বর্ণ, দ্বিতীয় পুরস্কার নয়টি ব্রোঞ্জ ও তৃতীয় পুরস্কার ১৮টি রৌপ্য পদক দেওয়া হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে কৃষি উন্নয়নে অনুপ্রেরণা জোগাতে এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন। বঙ্গবন্ধু কৃষি উন্নয়নের যে জয়যাত্রা শুরু করেছিলেন বর্তমান সরকার তা অনুসরণ করে সে অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে আরও বেগবান করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও পুরস্কার দেওয়া হবে।প্রতিবছর বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার দেওয়া হয় ১০টি বিষয়ে ওপর বিশেষ অবদানের জন্য। এগুলো হচ্ছে- কৃষি গবেষণা অবদান, কৃষি সম্প্রসারণে অবদান, প্রাতিষ্ঠানিক/সমবায়/কৃষক পর্যায়ে উচ্চমান সম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ ও নার্সারি স্থাপন, কৃষি উন্নয়নে জন সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ প্রকাশনা ও প্রচারণামূলক কাজ, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন বা ব্যবহার, কৃষিতে নারীদের অবদান, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে খামার স্থাপন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বনায়ন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি চাষ, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য চাষ।