
নিউজ ডেস্কঃ দেশে সোয়াইন ফ্লুর কোনো অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর। এ রোগটি মহামারি আকারে আর দেখা দেয়ার কোন আশঙ্কা নেই বলেও নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে মৌসুমী ফ্লু এইচ ওয়ান এন ওয়ানে আক্রান্ত হওয়ার কয়েকটি ঘটনা ঘটছে যা উদ্বেগজনক নয়, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সময় টেলিভিশনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন তারা। গত সপ্তাহেই সাবেক সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পীর মৃত্যুতে হঠাৎ করেই এক দশক পর আবার আলোচনায় উঠে এসেছে সোয়াইন ফ্লু। রোগ তত্ত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বিভাগ বলছে ২০০৯ সালে শুকর থেকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলেও এখন তা ছড়াচ্ছে মানুষ থেকে মানুষে। নতুন নাম এইচ ওয়ান এন ওয়ান। এ রোগের লক্ষণে সাধারণ সর্দি-জ্বরের মতই জ্বর দেখা দেয়। শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী, অ্যাজমা কিংবা ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য হয়ে উঠতে পারে মারাত্মক। ছড়ায় হাঁচিকাশির মাধ্যমে। আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ঠান্ডা জ্বরে যে লক্ষণগুলো থাকে এই ফ্লু এইচ ওয়ান এন ওয়ানের ক্ষেত্রেও প্রায় কাছাকাছি লক্ষণগুলো থাকে। যাদের অন্য কোনো রোগ থাকে সে কারণে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, আবার যাদের শ্বাসতন্ত্রে সমস্যা থাকে তাদের মধ্যে ইনফেকশন হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে জটিলতা বাড়ে। যদিও এটাতে মৃত্যুটা কম, তবে এটা ছোঁয়াচে, যেহেতু এটা হাঁচিকাশির মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটু সতর্ক হলেই রক্ষা পাওয়া যায় এইচ ওয়ান এন ওয়ানের কবল থেকে। পাশাপাশি রয়েছে ভ্যাকসিনেশনের সুযোগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, যেহেতু এটি পুরনো ভাইরাস তাই আতঙ্কের কিছু নেই। তাছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে আগে থেকেই।