News71.com
 Bangladesh
 05 Jan 20, 11:59 AM
 124           
 0
 05 Jan 20, 11:59 AM

খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে ৩৩হাজার পৃষ্ঠার পিলখানা ট্রাজেডির পূর্ণাঙ্গ রায়॥

খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে ৩৩হাজার পৃষ্ঠার পিলখানা ট্রাজেডির পূর্ণাঙ্গ রায়॥

নিউজ ডেস্কঃ আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের হত্যা মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় বেরোচ্ছে শিগগির। সুপ্রিমকোর্টের নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ৩ বিচারপতির রায় লেখার কাজ শেষ। শনিবারও তারা এ নিয়ে বৈঠক করেন। প্রায় ৩৩ হাজার পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর শেষে দু-এক দিনের মধ্যে তা প্রকাশ হতে পারে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। রায়ের অনুলিপি সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে দেয়া হবে।২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চ ১৩৯ জনকে ফাঁসির আদেশ দেন। মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হওয়ার ৭ মাস পর দেয়া রায়ে ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন ও ২০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যদিয়ে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর নিু আদালতের রায় অনুমোদন প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। জানা যায়, সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি শওকত হোসেন মূল রায় লিখেছেন। তিনি রায়ের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার পৃষ্ঠা লিখে বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতির কাছে পাঠান। বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী তার অংশের প্রায় ১৬ হাজার পৃষ্ঠা লিখেছেন। কনিষ্ঠ বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার লিখেছেন সাড়ে ৫শ’ পৃষ্ঠার ওপর। ভুল-ত্রুটি খতিয়ে দেখার পর তিনজনের লেখা রায় একত্রিত করা হয়।

উল্লেখ্য ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রয়ারি বাংলাদেশের তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত পিলখানায় তথাকথিত বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়।সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে হত্যা মামলায় ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ ছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ৮০৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। পরে আরও ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। বিচার চলাকালে তৎকালীন বিডিআরের ডিএডি রহিমসহ চার আসামির মৃত্যু হয়। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীরও সাজা হয়। সাজা ভোগকালীন পিন্টু অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। রক্তক্ষয়ী ওই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী এ বাহিনীর নাম বদল করে রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন