
নিউজ ডেস্কঃ বিতর্কিত উপায় অবলম্বন করে জিন সংশোধন করে দুটি জমজ শিশুকে এইডস-সুরক্ষিত জিন দিয়ে জন্ম দিয়েছেন চীনের হে জিয়ানকুই নামের এক বিজ্ঞানী। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অবৈধ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের অভিযোগ এনেছে আদালত। ফলে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) চীনের আদালত গবেষক হে জিয়ানকুইকে তিন বছরের জেল দেয়। তার গবেষণা দলের দুই সহকারীকেও কম মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। চীনের জিনহুয়া নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ‘এই তিনজনের এমন ঔষধ দেয়ার এখতিয়ার ছিল না। তারা খ্যাতি ও অর্থের জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করেছেন।' রায়ে আরো বলা হয়, ‘তারা বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও চিকিৎসাসেবার নৈতিক সীমা লঙ্ঘন করেছেন।’ পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত অণু ডিএনএ যাকে বংশগতির বাহক বলা হয়। অর্থাৎ জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে তা এই ডিএনএ-র জিন বিন্যাসের ওপর নির্ভর করে। বিজ্ঞানী জিয়ানকুই ২০১৮ সালে তার এই গবেষণা নিয়ে একটি ইউটিউব ভিডিও প্রকাশ করেন। সেই ভিডিওতে তিনি বলেন যে, ‘সিআরআইএসপিআর' নামের একটি জিন সিকোয়েন্স ব্যবহার করে তিনি বাচ্চা দুটির জিন সংশোধন করেন। কারণ, তাদের বাবার শরীরে এই ভাইরাস রয়েছে৷