
নিউজ ডেস্কঃ পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন এলাকা। এ জন্য ছাত্রদলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে ছাত্রলীগ। অভিযোগ প্রত্যাখান করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে ভিপি নূর ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ, ডাকসু এজিএস সাদ্দাম হোসেনের। বৃহষ্পতিবারের পরিত্যক্ত অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারের ঘটনার পর এবার পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে প্রকম্পিত হল মধুর ক্যান্টিন এলাকা। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রদলকে দায়ী করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। তবে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ছাত্রদল নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ঢাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ আছে। সব কিছু চেক করে দেখার অনুরোধ করছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার অপচেষ্টার অংশ এটি। এ ঘটনায় জড়িতদের ছাড় না দেয়ার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, কেউ রাজনৈতিক কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে পারবে না। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের কোনো সুযোগই দেয়া হবে না। আমরা তাদের প্রতিহত করবো। আইনগত ব্যবস্থা নেবো। এদিকে পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনে ডাকসু এজিএস সাদ্দাম হোসেন ভিপি নূরের বিরুদ্ধে দুনীতি, অনিয়ম ও ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ আনেন। এসময় নূরের পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়। তিনি বলেন, ঢাবির পবিত্র আমানত ডাকসুকে রক্ষা না করে এ ভবনকে অবৈধভাবে ব্যবহার করছে ভিপি। নূর ভিপি পদের যোগ্যতা হারিয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে মিথ্যাচার উল্লেখ করে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অত্যাচার-নির্যাতন ও নিপীড়নে পাল্টা অভিযোগ করেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এসময় ভিপি নূরসহ ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানান তারা।