
নিউজ ডেস্কঃ গত দশদিন ধরে হিমালয়ের শীতল বাতাস অব্যাহত থাকায় জবুথবু উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের জনজীবন। দিনের বেশিরভাগ সময় দেখা মেলে না সূর্যের। সন্ধ্যার পর বাতাস বাড়িয়ে দেয় শীতের তীব্রতা। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বিপাকে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। তার সাথে দুর্ভোগের মাত্রা বাড়াচ্ছে শীতজনিত রোগবালাই। পৌষের শুরু থেকেই উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। প্রতিদিনই কমছে তাপমাত্রা। গত বৃহস্পতিবার জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। যা এবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। দিনের বেশিরভাগ সময় দেখা মিলছে না সূর্যের। সন্ধ্যার পর বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশা আর হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় কাহিল জনজীবন। এ অবস্থায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষেরা দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন। খরকুটো জ্বালিয়ে চেষ্টা করছেন শীত নিবারণের। তারা বলেন, ঠান্ডার জন্য বের হতে পারি না। অনেক শীত। কাপড় নেই। খাওয়াদাওয়ার ও কষ্ট হচ্ছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায়, বেচাকেনা বেড়েছে গরম কাপড়ের। বিকেলে পর নিম্ন আয়ের মানুষের ভিড় বাড়ে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। এ প্রসঙ্গে ক্রেতারা বলেন, বাড়ির সবার জন্য গরম কাপড় কিনতে এসেছি।