
নিউজ ডেস্কঃ পৌষ মাসের দুই সপ্তাহ পূরণ হতে চলেছে। শীতের কুয়াশায় মোড়ানো থাকছে উত্তরাঞ্চল। কুয়াশা মোড়ানো দিনে মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে সব ধরনের যানবাহন সম্প্রতি শীতের আবহ শুরু হয়ে দিন দিন তা বেড়েই চলছে। দিন গড়িয়ে রাত পেরনোর পর ক্রমেই বাড়ছে কুয়াশা। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক ঘুরে ভোর সাড়ে ৬টা গন্তব্য বগুড়া সদর উপজেলার খান্দার থেকে মোটরসাইকেলযোগে সিরাজগঞ্জ রোডের চৌরাস্তা পর্যন্ত। উদ্দেশ্য কুয়াশায় মোড়ানো মহাসড়কে যানবাহনগুলোর গতিপ্রকৃতি দেখা। সদর উপজেলা থেকে শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে উঠে ছুটে চলা গন্তব্যর উদ্দেশ্যে। শাজাহানপুর থেকে শেরপুর উপজেলার চান্দাইকোনা পর্যন্ত রয়েছে একাধিক বাঁক। রাতের আঁধারে যা হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ। সিরাজগঞ্জের সীমানা রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনায় পৌছাঁমাত্র মহাসড়কের আসল চিত্রটা যানবাহনের হেডলাইটের আলোয় ধরা দিলো। চান্দাইকোনা থেকে সিরাজগঞ্জ রোড গোলচত্বর পর্যন্ত মহাসড়কের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মতো। এরমধ্যে চান্দাইকোনা, ভূঁইয়াগাতি, নিমাগাছী, সাহেবগঞ্জ, হাটিকুমরুলসহ একাধিক স্থানে ছোটখাট বাসস্ট্যান্ড রয়েছে। এসব স্থানে আলোর ব্যবস্থা থাকলেও মহাসড়কের দীর্ঘপথটা ফাঁকা।
মহাসড়কের ফাঁকা দু’পাশে কুয়াশা বুঝিয়ে দিচ্ছিলো বিস্তৃর্ণ ফসলি জমি সেখানে। এসব ফাঁকা স্থান দিয়ে তীব্র বেগে ধেয়ে আসতে থাকে কুয়াশা। এর মধ্যেও গাড়ি চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর দৃশ্য ভয় পাওয়ার মতো। সিরাজগঞ্জ রোডের গোলচত্বর এলাকায় হোটেলে বসা আমজাদ, এমদাদুল, সোলাইমানসহ কয়েকজন বাস ও ট্রাক চালকের সঙ্গে কথা হয়। তারা জানান, জোড়াতালির মহাসড়ক মাড়িয়ে তাদের যানবাহন চালাতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার যোগ হয়েছে শীতের ঘন কুয়াশা। এছাড়া সম্প্রতি সারাদেশে শীতের আবহ বেড়েছে অনেকটা। চালক ফজলু মিয়া, হেদায়ত আলী জানান, ট্রাকের সময় নির্ধারন না থাকলেও বাসকে সময় মেনে চলাচল করতে হয়। এ কারণে ট্রাকের চালকদের তুলনায় বাস চালকরা অনেকটা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালান। সেক্ষেত্রে তারা তীব্র কুয়াশার মধ্যেও একই কাজটি করেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে, থাকে জীবন হারানোর ঝুঁকি। এরপরও সবাই বেপরোয়াভাবেই গাড়ি চালায়।