News71.com
 Bangladesh
 07 Dec 19, 11:14 AM
 142           
 0
 07 Dec 19, 11:14 AM

রাজধানীতে পুলিশকন্যার মরদেহ উদ্ধার॥ হত্যা সন্দেহে চলছে তদন্ত

রাজধানীতে পুলিশকন্যার মরদেহ উদ্ধার॥ হত্যা সন্দেহে চলছে তদন্ত

নিউজ ডেস্কঃ বহুতল আবাসিক ভবন থেকে নিচে পড়ে গেলো মেয়েটি। কিন্তু তখন কোনো চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ পাওয়া গেলো না। এমনকি নিচে পড়ার পরও কোনো শব্দ করেনি কিংবা সামান্যতম নড়া-চড়াও করেনি সে। তবে কি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেয়েটিকে খুন করে নিচে ফেলে দেওয়া হয়েছে? এমনই প্রশ্ন পুলিশকণ্যা ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মরদেহ উদ্ধারস্থল আশ-পাশের ভবনের বাসিন্দাদের। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর সার্কুলার রোডের ৬৪/৪ নম্বর বাসার নিচ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে অবশেষে তরুণীর পরিচয় মেলে। জানা যায়, নিহত রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার বাবা রোকন উদ্দিন পুলিশের পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুম্পা রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকায় থাকতেন।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ঘটনাস্থলে সরেজমিনে দেখা যায়, সিদ্ধেশ্বরীর সার্কুলার রোডের ছোট চিকন গলির দু’পাশে সারিবদ্ধ অনেকগুলো বহুতল আবাসিক ভবন। গলির মাথায় নিরাপত্তা গেট ও দারোয়ান রয়েছে। গলির শেষ মাথায় আরেকটি ভবনের পেছনে এ গলিপথ শেষ হয়েছে। একেবারেই শেষ মাথা থেকেই রুম্পার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৬৪/৪ ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে মেস রয়েছে। সেখানে সাতজন ব্যাচেলর ভাড়া থাকেন। ঘটনার দিন রাতে ওই মেসে সাতজন ছিলেন। মেসের বাসিন্দা পলাশ দেবনাথ বলেন, বুধবার আনুমানিক রাত ১০ টা ৪২ থেকে ৪৩ মিনিটে ওপর থেকে কিছু একটা পড়ার শব্দ হয়। বস্তা পড়েছে ভেবে আমরা রুম থেকে বেরিয়ে দেখি একটি মেয়ে উপুড় হয়ে পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা বাসা থেকে বের হই এবং আমাদের চিৎকারে আশ-পাশের অনেকেই ছুটে আসেন। পরে মেয়েটিকে উপুড় হওয়া থেকে সোজা করা হয়। এর মধ্যেই স্থানীয় এক ডা. বাসিন্দা ছুটে আসেন। তিনি চেক করে প্রথমেই বলেন মারা গেছে। তখন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন