
নিউজ ডেস্কঃ সন্ধ্যা নামলেই হাতি নেমে আসে জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে। বিচরণ করে পুরো সীমান্তে। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের এই হাতির বিচরণ অন্যান্য মাসের তুলনায় অনেক বেশি। গত ১ সপ্তাহ ধরে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়া পাড়ি দিয়ে ৭০/৭৫টি বন্যহাতির পাল বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থান করছে। বন্যহাতির প্রবেশের কারণে বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী কামালপুর ইউনিয়নের সোমনাথপাড়া, গাঢ়োপাড়া, টিলাপাড়া, যদুরচর, সাতানীপাড়া ও মীর্ধাপাড়াসহ ৬ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নির্ঘুম রাত যাপনসহ হাতি আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাহাড়ে অবস্থান করছে হাতির দল। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এরা লোকালয়ে প্রবেশ করে চলতি আমন মৌসুমের ধান খেয়ে নিচ্ছে। ভারতীয় হাতি প্রবেশ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে রয়েছে চরম ক্ষোভ।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানান, প্রায় ৭দিন ধরে ভারতীয় বন্য হাতির দলটি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের লোকালয়ে প্রবেশ করে। এদিকে হাতির তাণ্ডব ঠেকাতে স্থানীয় লোকজন জেনারেটর এর মাধ্যমে আলো ছড়িয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্ত তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় হাতি তাড়ানো সম্ভব হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও হাতি তাড়ানোর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আ.স.ম জমশেদ খন্দকার হাতির অবস্থানের এলাকা পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, সীমান্ত এলাকায় মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজেল সরবরাহ করেছি। এছাড়া উচ্চ শব্দের কিছু পটকা ও গোলক বিতরণ করা হয়েছে। স্থায়ীভাবে এর সমাধানের জন্য উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে।