
নিউজ ডেস্কঃ পিরোজপুর-১ (নাজিরপুর, পিরোজপুর ও নেছারাবাদ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়ালের সম্পদের অনুসন্ধ্যানে মাঠে রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের জুন মাসে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আউয়ালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি, সরকারি টাকা ও সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে দুদকে অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে তা অনুসন্ধানে নামে দুদক। গত ১৯ মে আউয়ালকে পরবর্তী ২৩ মে’র মধ্যে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্য়ালয়ে হাজির হয়ে সম্পদের বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু আউয়াল ওই সময়ে হাজিরা না দেওয়ায় পরবর্তী ১৯ জুন আবারও তাকে নোটিশ পাঠায় দুদক। ওই নোটিশে তাকে ২৭ জুনের মধ্যে হাজির হয়ে সম্পদের বিবরণী দিতে বলা হয়। পরে তিনি হাজির হয়ে বক্তব্য দিলেও সে বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন দুদক।
আওয়ামী লীগ সরকারের গত দুই মেয়াদে (২০০৮-১৮) পিরোজপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ, শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ, গণপূর্ত বিভাগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ), পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ (পাউবো) যে যে বিভাগে কাজ হয়েছে তার প্রতিটি থেকে ১০ শতাংশ হারে কমিশন নিয়েছেন একেএমএ আউয়াল। এমন কি তিনি সরকারিভাবে দুর্যোগপ্রবন এলাকা ইন্দুরকানি ও মঠবাড়িয়া উপজেলায় চারটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকালে তিনি নগদ ৮০ লাখ টাকা ও দুই হাজার ডলার উৎকোচ নেন বলে অভিযোগ পায় দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক মো. আলী আকবর জানান, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তারা (দুদক) নির্বাচন কমিশন, উপ-কর কমিশনারের কার্যালয় (পিরোজপুর), একাধিক ব্যাংকসহ ৩০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠি দিয়েছেন।