
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) ‘অ্যাড্রেসিং চ্যালেঞ্জেস অব ট্রান্সফারেবল এলসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা কর্মশালার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মধ্যস্ততায় বায়িং হাউজের দক্ষতা অপরিসীম। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বায়িং হাউজগুলো থেকে বেশকিছু সুবিধা পাওয়া গেলেও ব্যাংকার এবং ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে বায়িং হাউজের অদক্ষতার কারণে বাণিজ্যে জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষ করে ট্রান্সফারেবল এলসির ক্ষেত্রে এ ধরনের জটিলতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। এ কারণে রপ্তানির স্বার্থে ট্রান্সফারেবল এলসির সঠিক ব্যবহারে বায়িং হাউজের আরও দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজন। বুধবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘অ্যাড্রেসিং চ্যালেঞ্জেস অব ট্রান্সফাররেবল এলসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা কর্মশালায় উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- বিআইবিএম-এর অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম. মনিরুজ্জামান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. আখতারুজ্জামান। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বায়িং হাউজগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে এ খাতের শৃঙ্খলা আনয়নে এরই মধ্যে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যা বায়িং হাউজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বায়িং হাউজগুলোকে রেটিংয়ের আওতায় আনতে হবে। এতে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে। বিআইবিএমের ড. মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোরারোপ করেন।