
নিউজ ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদ থেকে সদ্য অপসারিত ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তথ্য প্রমাণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, তিনি (তুরিন আফরোজ) অপরাধীর সঙ্গে যে কথা বলেছেন তার রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। সেখানে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তার গলা (কণ্ঠস্বর) প্রমাণিত হওয়ায় আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা তুরিন আফরোজ কেন করলেন আমরা বুঝতে পারছি না। আমি শুধু এটুকু বলবো এটা দুঃখজনক এবং কাজটা যে আমি খুশি হয়ে করেছি তা কিন্তু না। সোমবার (১০ নভেম্বর) সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি একজন আসামির সঙ্গে যে মামলা তিনি নিজে করছিলেন তার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করতে গিয়েছিলেন। এবং এ মামলা আলাপ-আলোচনা করার সময় তিনি এও বলেছিলেন এ মামলার কোনো সারবত্তা নেই। সেই কথোপকথন কিন্তু ট্যাপ (রেকর্ড) করা হয়। তিনি বলেন, ট্যাপ করা কথোপকথনগুলো ও তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনানের চিফ প্রসিকিউটর সেটা আমাদের কাছে পাঠান। আমরা এটা নিয়ে যথেষ্ট সাক্ষীদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। একইসঙ্গে তুরিন আফরোজের সঙ্গে যতটুকু কথাবলা প্রয়োজন মনে করেছি হয়েছে। কিন্তু যে সাক্ষ্যপ্রমাণ আছে তার সব ডকুমেন্টস আছে। সেজন্য আমরা এ সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাকে অব্যাহতি দিয়েছি।
আনিসুল হক বলেন, তিনি আগের যে মামলা পরিচালনা করেছেন তাতে আমরা যথেষ্ট সন্তুষ্ট। তাকে যে কারণে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তার আগ পর্যন্ত তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে তার সেন্স অব জাজমেন্ট করে কাজ করেননি। তার দিক থেকে যে সব বক্তব্য ধারণ করা হয়েছে যেটা তার গলা (কণ্ঠস্বর) বলে প্রমাণিত হয়েছে। এটা তুরিন আফরোজ কেন করলেন আমরা বুঝতে পারছি না। আমি শুধু এটুকু বলবো এটা দুঃখজনক এবং কাজটা যে আমি খুশি হয়ে করেছি তা কিন্তু না। তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়াটা আরও জরুরি হয়ে পড়ে কারণ হচ্ছে এ মামলা নিয়ে কথা হচ্ছে তা কিন্তু চার্জ গঠন হয়ে গেছে। সেই কারণে এ বিষয়ে আমার মনে হয় যে আরও নিষ্পত্তি টানা দরকার ছিল সেজন্য এটা করা হয়েছে।