
নিউজ ডেস্কঃ মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় এক আসামির জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানি পুলিশ রিপোর্ট (চার্জশীট) না হওয়া পর্যন্ত স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রেখেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। পরে আমিন উদ্দিন মানিক জানান, আদালত মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় আসামি এ এম আলী হায়দার নাফিজের জামিনের রুল শুনানি স্থগিত রেখে চার্জশিট দাখিলের আগে রুল শুনানি নয় মর্মে আদেশ দেন।
তিনি আরও জানান, গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মুদ্রা পাচারের সংগৃহীত অবৈধ অর্থ নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। গত ২৪ ডিসেম্বর র্যাব-৩ আসামিদের মতিঝিলের সিটি সেন্টারের ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইউনাইটেড করপোরেশন অফিসে অভিযান পরিচালনা করে ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আসামি এ এম আলী হায়দার নাফিজের হেফাজত ও দেখানো বিপুল পরিমাণ অর্থসহ ব্যাংকের চেক উদ্ধার করে । পরে র্যাব- ৩ এর ডিএডি মো. ইব্রাহিম হোসেন বাদী হয়ে এ এম আলী হায়দার নাফিজসহ ৬ জন ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় ২৬ ডিসেম্বর মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও তৎসহ সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এখনও তদন্তাধীন আছে। এ মামলার অন্য আসাসিরা হলেন আমেনা এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আলমগীর হোসেন, বিএনপি দলীয় শরীয়তপুর -৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু, ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী আতিকুর রহমান আতিক ও মো. মাহমুদুল হাসান সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন।