
নিউজ ডেস্কঃ আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন রাকিব হোসেন (২২) নামে এক পুলিশ সদস্য। বর্তমানে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে যশোর শহরের মণিহার এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। ভুক্তভোগী রাকিব হোসেন লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনসে কর্মরত। তিনি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর এলাকার শামছুল হুদার ছেলে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাকিব হোসেন বলেন, সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে গাবতলী থেকে এস আলম পরিবহনের একটি বাসে যশোরে আসছিলেন, উদ্দেশ্য ছিলো যশোরের আদালতে একটি মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া। তবে রাত ১টার দিকে আরিচা ফেরিঘাটে গাড়ি থামলে একটি ডাব খান। এরপরে কী হয়েছে-তা বলতে পারেন না। জ্ঞান ফিরে দেখেন, তিনি হাসপাতালে। তার পকেটে থাকা দশ হাজার টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নেই।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শফিউল্লাহ সবুজ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তাকে কেউ চেতনানাশক দ্রব্য পান করিয়েছেন। তিনি আশঙ্কামুক্ত। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, অজ্ঞান অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সোমবার (২১ অক্টোবর) যশোরের বারান্দিপাড়া এলাকার মঞ্জুর হাসান খানের ছেলে মোতাসিম বিল্লাহ খান ও তার স্ত্রী লিজা আক্তার ঢাকা থেকে সোহাগ পরিবনের বাসে করে কলকাতা যাওয়ার পথে ফেরিঘাটে এসে আখের রস পান করে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়েন। এ সময় তাদের কাছে থাকা দেড় লাখ টাকা, পাসপোর্ট ও আইফোন খোঁয়া যায়। পরে বাসের অন্য যাত্রীরা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।