
নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় ও এফএওর উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এ বছরও বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে দিবসটি। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ, পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাঙ্খিত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী’।
ক্ষুধার রাজ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান, ভারত ও আফগানিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে বাংলাদেশ; তবে নেপাল, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে আছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টির হার কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নতি অব্যাহত থাকলেও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গত বাংলাদেশের অবস্থান গত কয়েক বছর ধরে আটকে আছে একই বৃত্তে। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট মঙ্গলবার চলতি বছরের ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক’ প্রকাশ করেছে, তাতে ১১৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮তম। ২০১৮, ২০১৭ ও ২০১৬ সালে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল যথাক্রমে ৮৬, ৮৮ ও ৯০ নম্বরে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে এগিয়ে থাকা অর্থনীতি ভারতের এই সূচকে পিছিয়ে থাকার মূল কারণ বিপুল জনসংখ্যা। খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতিতে ধারাবাহিক উন্নতি অব্যাহত রাখলেও জনসংখ্যার বিপুল বিস্তারের তুলনায় তার গতি ধীর।