
নিউজ ডেস্কঃ ধারাবাহিক দরপতনে মাত্র ছয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন কমেছে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এসময় প্রধান সূচক হারিয়েছে ২০০ পয়েন্ট। সংকট নিরসনে সরকারের নীতিগত সহায়তাসহ বিভিন্ন সময়ে নেয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে তদারকি জোরদারের পরামর্শ বাজার সংশ্লিষ্টদের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পতন গড়ালো টানা ছয় কার্যদিবসে। সোমবার ৫০.৫২ পয়েন্ট কমে ৪০০৬ পয়েন্টের সীমারেখায় প্রধান সূচক। অবস্থান করছে ৪৭১১ পয়েন্টে। ডিএসইতে আজ টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৯৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকার। যা গত কার্যদিবস থেকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বেশি। গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৯৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা । এ অবস্থায় সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ দরকার বলা হচ্ছে মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে।
মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি মোহাম্মদ আহছান উল্যাহ বলেন, "যে পলিসি সাপোর্টগুলো দিয়েছে মিনিস্ট্রি অব ফাইন্যান্স, তাদের পলিসি সাপোর্টগুলোর কোনটা কতটুকু কাজ করছে, কোনটা করছে না- সেটার জন্য একটা মনিটরিং সেল ফর্ম করা উচিত।" লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৫২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৮০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বেড়েছে। কমেছে ২৩১টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে ন্যাশনাল টিউবস। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে স্কয়ার ফার্মা ও ওয়াটা কেমিক্যাল তৃতীয় অবস্থানে। শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে এম এল ডাইংঢাকা ডাইং দ্বিতীয় , তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে নাহি অ্যালুমিনিয়াম। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আজ সার্বিক সূচক কমেছে ১০৬ দশমিক শূণ্য তিন পয়েন্ট। লেনদেন ১৩ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার।