
নিউজ ডেস্কঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবে পৌরসভার প্রায় শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তাণ্ডবের ঘটনার ৬ দিনের মাথায় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র নায়ার কবীর এসব কথা জানান। শনিবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে পৌর মেয়র নায়ার কবির বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ আমরা মহান স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলাম। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে বিভিন্ন মাদ্রাসার একদল সংঘবদ্ধ ছাত্র স্লোগান দিয়ে আকস্মিকভাবে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে উপস্থিত হয়। এসময় তারা স্বাধীনতা দিবসের ব্যানার ফেস্টুন ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। হামলা কালে তারা শাবল দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ক্ষতবিক্ষত করে।’
দ্বিতীয় দফায় ২৮ মার্চ হেফাজত ইসলামের হরতাল চলাকালীন স্থানীয় কিছু নেতাকর্মীর সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোটের স্থানীয় নেতাকর্মী এবং বিগত পৌর নির্বাচনে পরাজিত আমার নিকটতম দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর একদল উশৃঙ্খল ব্যক্তিবর্গ বেলা ১১টার দিকে পুনরায় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে হামলা করে।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর করে পৌর ভবন এবং সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে গান পাউডার ও পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময়ে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পার্শ্ববর্তী সুইপার কলোনিতে পালিয়ে জীবন রক্ষা করে। পরে সন্ত্রাসী-কায়দায় হামলাকারীরা অফিসের সব ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে এবং বিপুল সংখ্যক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এ হামলায় আগুনে পৌরভবন, পৌর মিলনায়তন ভবন পুড়ে ছাই হয়ে যায়।