
নিউজ ডেস্কঃ আন্দোলনের নামে দেশে অরাজকতা বা সহিংস তৎপরতা চালালে হেফাজতে ইসলামকে কঠোরভাবে দমনের পথে হাঁটবে সরকার। সহিংসতায় জড়িতদের তালিকা করে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি হেফাজতের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
গতকাল সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা গণমাধ্যমকে এমনটা জানিয়েছেন। অন্যদিকে দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিক বলেছেন, হেফাজতের প্রতি নমনীয় না হয়ে তাদের তাণ্ডব সরকারকে শক্ত হাতে মোকাবেলা করতে হবে। না হলে যেকোনো সময় দেশে ভয়ংকর কিছু ঘটে যেতে পারে।
আওয়ামী লীগ ও সরকারের সূত্রগুলো জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এ দেশে আগমন ঠেকাতে হেফাজতের তাণ্ডবে চরম ক্ষুব্ধ সরকারের নীতিনির্ধারকরা। তাঁরা মনে করেছিলেন, সীমিত আকারে শান্তিপূর্ণভাবেই কর্মসূচি পালন করবে হেফাজত। কিন্তু ঢাকার বাইরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামে যে ব্যাপক সহিংসতা ঘটবে, তা ধারণার মধ্যে ছিল না। তাণ্ডব শুরুর পরই তা কঠোরভাবে মোকাবেলার নির্দেশনা দেওয়া হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।