
নিউজ ডেস্কঃ অস্তিত্ব সংকটের মুখে থাকা সিমেন্টশিল্প রক্ষায় আগামী বাজেটে বিদ্যমান তিন শতাংশ অসমন্বয়যোগ্য অগ্রিম আয়কর ও তিন শতাংশ সরবরাহ কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চেয়েছেন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিসিএমএ। মালিকদের এ সংগঠনটি বলেছে, সিমেন্ট উৎপাদনে ব্যবহৃত মৌলিক কাঁচামাল ক্লিংকার আমদানিতে শুল্ককর প্রতি টন ৫০০ টাকার পরিবর্তে পাঁচ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হোক। এ ছাড়া সমন্বিত অগ্রিম আয়কর হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হওয়া প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা দ্রুত ফেরত বা ছাড় দিতে এনবিআরের হস্তক্ষেপ চেয়েছে বিসিএমএ।
সংগঠনটি আরও বলেছে, দেশের সিমেন্টশিল্প এক অস্থিতিশীল সময় পার করছে। একদিকে গত এক বছর করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারীর প্রভাব, অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সিমেন্টের মূল কাঁচামাল ক্লিংকারের অস্বাভাবিক ও অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের সিমেন্ট খাতে নেমে এসেছে চরম দুর্দিন। ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে দেওয়া প্রস্তাবে এসব কথা বলেন বিসিএমএ সভাপতি মো. আলমগীর কবির।