
নিউজ ডেস্কঃ ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে ফ্ল্যাট কেনার নামে ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমপক্ষে পাঁচ কর্মী জড়িত। তাঁরা টাকার বিনিময়ে এনআইডি সার্ভারে একজনের তথ্যের স্থানে অন্যজনের তথ্য ও ছবি আপলোড করে দিতেন। আর জালিয়াতির কাজটি শেষ হলেই ওই নকল ছবি ও তথ্য সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতেন।
গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে বেরিয়ে আসা ইসির ওই পাঁচ কর্মী হলেন পিয়ন সাজ্জাদ, কর্মী আজিজ ও সাফিন আহমেদ সাফি, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী শাহজাদ এবং কম্পিউটার অপারেটর শাহাদাত। সম্প্রতি ইসি বিভিন্ন অভিযোগে ৪৪ কর্মীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। তাঁদের মধ্যে এই চক্রের অন্তত দুজন রয়েছেন। ফ্ল্যাট কেনাবেচার নামে জালিয়াতির কারবার চালাতে আল আমিন ওরফে জামিল শরীফ ও খ ম হাসান ইমাম ওরফে বিদ্যুৎ নামের দুই ব্যক্তি অফিস খুলে বসেন। আর আব্দুল্লাহ আল শহীদ নামে কথিত এক সাংবাদিক ভুয়া এনআইডি তৈরির ঠিকাদারি কাজ করেন।
ইসির অস্থায়ী সার্ভার ভবনের পাশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিরাপত্তাকর্মী বিপ্লব মিয়া ইসি কর্মীদের দিয়ে অপকর্ম করিয়ে নেন। চক্রটি একের পর এক জালিয়াতি করে ঢাকায় ১১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে ২০ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে। একে একে ২৪টি ফ্ল্যাটের ঋণের নামে এই অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়েছে ঢাকা ব্যাংকের পক্ষ থেকে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে। গত ৭ ডিসেম্বর খিলগাঁও এবং ১২ ডিসেম্বর পল্টন থানায় এসব মামলা করা হয়।