News71.com
 Bangladesh
 13 Mar 21, 02:40 PM
 209           
 0
 13 Mar 21, 02:40 PM

শিক্ষকদের গবেষণায় জালিয়াতির প্রমাণ।। চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ

শিক্ষকদের গবেষণায় জালিয়াতির প্রমাণ।। চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ

 

নিউজ ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের গবেষণা জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ার পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ উঠছে। বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে।

 

ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) ও একাডেমিক গবেষণার ক্ষেত্রে জাল-জালিয়াতির অনেক ঘটনা ধরা পড়ার পর এ নিয়ে খোঁজখবর করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে আরো উদ্বেগজনক চিত্র। সেটা হলো, পিএইচডি গবেষণা ও সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একাধিক নির্দেশনায় দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের অনুমতি না থাকলেও সেটা উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অনুমোদনহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া পিএইচডি সনদও মিলছে। আইন উপেক্ষা করেই গড়ে উঠেছে স্টাডি সেন্টার। ভুয়া ও মানহীন সনদ নিয়ে চাকরি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কিন্তু এসব সনদ দেওয়া বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

 

গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট গবেষণায় জালিয়াতির শাস্তি হিসেবে কয়েকজন শিক্ষককে পদাবনতি দিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওমর ফারুককে সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়। এর আগে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৮ সালে এ শিক্ষকের পিএইচডি ডিগ্রি বাতিল করা হয়। আর অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মাহফুজুল হক মারজান শিক্ষা ছুটিতে আছেন। তিনি ছুটি শেষে বিভাগে যোগদান করার পর তাঁর পদোন্নতি পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গবেষণায় জালিয়াতির শাস্তি হিসেবে তিনি যোগদান করার পর দুই বছর পর্যন্ত কোনো ধরনের পদোন্নতি পাবেন না। তাঁরা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গবেষণায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।

Comments

নিচের ঘরে আপনার মতামত দিন