
নিউজ ডেস্কঃ দেড়-দুই মাস ধরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার প্রকাশ্য প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তাঁকে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এদিকে গতকাল রাত ১টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় পৌর ভবনে নজরদারিতে ছিলেন কাদের মির্জা। ভবনের সামনে ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাব সদস্য মোতায়েন ছিল। এর আগে গতকাল বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নোয়াখালীর প্রেস ক্লাব এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে বাদলকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। বাদলের পরিবার জানিয়েছে, সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা তাঁকে তুলে নিয়ে গেছে।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জের চাপরাশিরহাট বাজারে আবদুল কাদের মির্জা ও মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি মারা যান। এরপর গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আলাউদ্দিন নামের যুবলীগের এক কর্মী মারা যান। এ ছাড়া ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন।