
নিউজ ডেস্কঃ পুলিশকে জনমুখী ও আস্থাশীল বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চলছে ‘শুদ্ধি অভিযান’। মাদক, হয়রানি, নির্যাতনসহ যেকোনো অপরাধে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এখন। আগের চেয়ে বাড়ছে বিভাগীয় শাস্তি ও গুরুদণ্ড। এমন এক পরিস্থিতিতে কক্সবাজারের পুলিশ সদস্যদের ছিনতাইয়ের ঘটনায় নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কক্সবাজারে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে হত্যার পর গণবদলির মাধ্যমে উন্নত সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়ার পর এই ঘটনা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
জেলা পুলিশ দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিলেও একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত ১ মার্চ কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক (এসআই) নুর-ই খোদা সিদ্দিকী ছিনতাইকাণ্ডে জড়িত হওয়ার আগে থেকেই ছিলেন বেপরোয়া। সিনহা হত্যার কিছুুদিন আগে কক্সবাজারে বদলি হয়ে যাওয়ার কারণে তখন তাঁকে বদলি করা হয়নি। চকরিয়া থানা থেকে কক্সবাজারে বদলি হয়ে আসা নুর পুরনো কর্মকর্তা হিসেবে দাপটের সঙ্গে অপকর্ম চালাচ্ছিলেন।
তবে জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় ওই পুলিশ সদস্যদের জড়িত থাকার ব্যাপারে প্রমাণ পাওয়ায় পুলিশ সুপার (এসপি) দ্রুত ব্যবস্থা নেন। পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলছেন, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের নির্দেশনায় পুলিশকে জনমুখী ও আস্থাশীল বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে শুদ্ধি কার্যক্রম অন্যতম।