
নিউজ ডেস্কঃ আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের ঋণগ্রহীতাদের উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট বলেছেন, আপনারা পিপলস লিজিং থেকে টাকা নিয়েছেন। টাকা নিয়ে আপনারা বসে আছেন। এই টাকা চোর বাটপারদের টাকা না। এটা জনগণের টাকা। আর যারা টাকা রেখেছে সেসব সাধারণ মানুষ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। আগে টাকা দিন। প্রতিষ্ঠানটি বাচাঁতে হবে। আগে টাকা দেবেন তারপর আলোচনা, দরকষাকষি।
টাকা না দিলে জেলে যেতে হবে। পিপলস লিজিং অবসায়ন সংক্রান্ত মামলায় শুনানিকালে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্টের একক বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। আদালত আগামী ৯ মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। গত দুই ধার্য দিনে যারা হাজির হননি তাদের আগামী ৯ মার্চ হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন কাজী এরশাদুল আলম। ঋণগ্রহীতাদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন, আব্দুস সাত্তার পালোয়ান, বেলায়েত হোসেনসহ বেশ কয়েকজন। পিপলস লিজিংয়ের সাময়িক অবসায়কের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মেজবাহুর রহমান।